Home / অন্যান্য / বাসর রাতে ট্যাবলেট খেয়ে সঙ্গম করে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই, জ্ঞান আসার পর দেখি…

বাসর রাতে ট্যাবলেট খেয়ে সঙ্গম করে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই, জ্ঞান আসার পর দেখি…

loading...

আমার যখন বিয়ে হয় তখন আমি ক্লাস ৭ এ ছিলাম। খুব ছোট বলতে গেলে। বিয়েটা কী বুঝতাম না। স্বাভাবিকভাবেই আমার বিয়ে হয়েছিলো। কিন্তু বিয়ের পর বুঝতে পারলাম একজন বয়স্ক লোকের সাথে আমার বিয়ে হয়েছে। তার বয়স ৩৬ বছর আর আমার ১৪। সবাই খুব অত্যাচার করতো, মারতো, বকা দিত। আম্মুকে আর পরিবারকে অনেক মিস করতাম।

বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আমাকে নগ্ন করেছিলেন প্রথমে তারপর…

অদ্ভুত গ্রাম যেখানে মেয়েকে ধর্ষণ করলে বাবা-মা খুশি হয়ে ধর্ষককে পারিশ্রমিক দেন ! More stats
মাত্র ২ ‍দিনে ১৩ লক্ষ্য মানুষ দেখেছে এই ভিডিওটি… (ভিডিও সহ) More stats
ইউটিউবে তোলপাড় করা সালমার নতুন মিউজিক ভিডিও More stats
ভিডিওটি দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না….সবাইকে দেখার অনুরোধ রইলো More stats
পুরুষের ক্ষমতা বাড়াবে মাত্র ১ টুকরো আদা কিন্তু কিভাবে কখন খাবেন! More stats
পৃথীবির সবচেয়ে বড় বড় কিছু দুর্ঘটনার ভিডিও দেখুন, হার্ট দুর্বল হলে দেখবেন না More stats
খেয়াল করে দেখুন!!! জাহাজটি আসার সাথে সাথে কিভাবে ব্রীজটি উপরের দিকে উঠে গেলো (ভিডিও) More stats
ব্রেকিং নিউজ নতুন শর্তারোপে আমেরিকার DV ভিসা 2017,আবেদন শুরু জেনে নিন সকল নিয়ম। কি ভাবে করবেন More stats
কোরআন-হাদিসের আলোকে বাসর রাতের ৮টি করনীয়-বর্জনীয় কাজ More stats
মেকাপ ম্যানদের নিকট একা একা গেলে, যে সর্বনাশ হবে আপনার, দেখুন ভিডিওতে More stats

 

এমনকি বিয়ের পর আমাকে বাড়িতেও আসতে দেয়নি। খুব ছোট ছিলাম তাই খুব একটা ঘরের কাজ পারতাম না। আমার স্বামী যিনি ছিলেন তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক হওয়ার পর আমি প্রায় ৫দিন কোমায় ছিলাম। কিন্তু যখন জ্ঞান ফিরে তখন শুনি আমার শ্বশুরবাড়ির কেউ আমাকে দেখতে আসেনি, এমনকি আমার স্বামীও না। আমার সব বই পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিলো। আর ছোটবেলা থেকে আমার কবিতা, ছোট গল্প আর যা মনে আসতো তা কবিতার ভাষায় লেখার অভ্যাস ছিলো। আমার উপর যেসব অত্যাচার হত তা আমার মাথায় সবসময় ঘুরতো। তাই একদিন বিকেলে অবসর সময়ে আমি এসব লিখছিলাম আমার কবিতার খাতায়। আমার ননদ যিনি ছিলো, উনি দেখে ফেলেছিলো যে আমি কী সব লিখছি। উনি ভেবেছিলেন যে আমি উনাদের নিয়ে বিচার দিয়ে বাড়িতে চিঠি লিখছি। এই কথা আমার স্বামী জানার পর আমাকে অনেক মারধর করে। তখন আমি প্রেগন্যান্ট ছিলাম ৩ মাসের।

অত্যাচারের কারণে আমার প্রচুর ব্লিডিং হয়। পরে বুঝতে পারি যে বাচ্চা নষ্ট হয়ে গেছে। এর কিছুদিন পর আমার ডিভোর্স হয়ে যায়। আমার কাকা আর গ্রামের মেম্বার মিলে ডিভোর্সটা করায়। ডিভোর্সের পর আমি আমার পড়া শুরু করতে চাই কিন্তু কেউ আমাকে সাহস দিচ্ছিলো না। আমার খুব কষ্ট লাগতো এই ভেবে যে আমি তো পালাইনি, এমনকি খারাপ কোন কাজ করিনি, শুধু পরিবার যা চেয়েছে তাই করেছি। তাহলে কেন আমাকে এত বদনাম পেতে হচ্ছে। আমি অনেক কষ্ট করে সবাইকে অনুরোধ করে ক্লাস ৮-এ ভর্তি হই।

আমি আমার শ্বশুরবাড়ি ৬ মাস ছিলাম তাই ক্লাস সেভেনের ফাইনাল পরীক্ষা দিতে হয়েছিলো। আমার মা বাবা, নানু, নানা সবাই প্রচুর উৎসাহ দিয়েছিলো। কিন্তু আমার ছোট কাকা কাকি প্রচন্ড মানসিক অত্যাচার করেছিলো। এখন আমি মেডিকেলে পড়ছি। অনেক যুদ্ধ করেছি, এখনও করছি কিন্তু মনের ভেতর কোথাও যেন একটা কষ্ট থেকেই গেছে। মা সারাদিন বকে কারণ আমি দেখতে অতটা সুন্দর নই এবং কোন বিয়ের প্রপোজাল আসেনা, যার কারণে দিনরাত আমি কথা শুনতে হয়। আমার কোন অধিকার নেই এই পরিবারে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করার।

আমার ছোট যে বোন, ও খুব সুন্দর। ও এখন মাত্র ক্লাস ৭-এ পড়ে। ওর সাথেও আমার পরিবার ঠিক একই কাজ করতে চাইছে যেই জঘন্য কাজ ওরা আমার সাথেও করেছিলো। ঐ কাজটা আমি করতে দেইনি যার কারণে এখন মানসিক কষ্ট আমাকে প্রতিদিন পেতে হচ্ছে। আমি প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণা অনুভব করছি। আমি এটা থেকে বেরোতে চাই। আমার কী করা উচিত? আমি স্বাভাবিক জীবন চাই। আমি চাইনা কেউ বলুন যে- দেখো একবার বিয়ে হয়েছে। ডিভোর্স প্রাপ্ত মেয়ে। একে কেউ বিয়ে করবেনা।”“

About admin

Check Also

প্রতিস্থাপিত হল পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম কৃত্রিম হৃদপিণ্ড!

loading... প্রতিনিয়ত সমগ্র বিশ্ব জুড়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, হৃদপিণ্ড হচ্ছে মানুষের ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *